আলোকিত রিপোর্ট:
রিপোর্ট:
কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলা দ্রুত জনবহুল ও গুরুত্বপূর্ণ একটি অঞ্চলে পরিণত হলেও, শিশুদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত বিনোদন কেন্দ্রের অভাব দীর্ঘদিনের। বিশেষ করে ঈদুল ফিতর, ঈদুল আজহা কিংবা অন্যান্য ধর্মীয় উৎসবের সময় এই অভাব আরও তীব্রভাবে অনুভূত হয়।
ঈদের ছুটিতে পরিবার-পরিজনের সাথে আনন্দ ভাগাভাগি করতে শিশুদের স্বাভাবিক আগ্রহ থাকে। কিন্তু উখিয়ায় এমন কোনো নির্দিষ্ট শিশু পার্ক বা বিনোদন কেন্দ্র না থাকায়, তাদের আনন্দ অনেকাংশেই সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে ঘরোয়া পরিবেশে বা ঝুঁকিপূর্ণ খোলা জায়গায়। ফলে শিশুরা যেমন বঞ্চিত হচ্ছে মানসম্মত বিনোদন থেকে, তেমনি অভিভাবকদের মাঝেও থাকে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, একটি আধুনিক শিশু বিনোদন কেন্দ্র শুধু আনন্দের জায়গা নয়, এটি শিশুদের মানসিক বিকাশ, সামাজিক যোগাযোগ ও সৃজনশীলতা বৃদ্ধির ক্ষেত্র হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। উন্নত দোলনা, স্লাইড, খেলার মাঠ, শিশু লাইব্রেরি কিংবা ছোট্ট সাংস্কৃতিক মঞ্চ—এসব সুবিধা থাকলে শিশুদের শৈশব আরও প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে।
উখিয়া বর্তমানে পর্যটন ও রোহিঙ্গা ইস্যুর কারণে জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ। এই প্রেক্ষাপটে একটি শিশু বিনোদন কেন্দ্র গড়ে তোলা শুধু স্থানীয়দের জন্যই নয়, বরং আগত দর্শনার্থীদের কাছেও একটি ইতিবাচক বার্তা দেবে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদ্যোগ জরুরি বলে মনে করছেন এলাকাবাসী। সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বে একটি পরিকল্পিত শিশু পার্ক নির্মাণ এখন সময়ের দাবি হয়ে উঠেছে।
স্থানীয় এক অভিভাবকের বক্তব্য:
“ঈদের দিনে বাচ্চাদের নিয়ে কোথাও ঘুরতে যেতে পারি না। উখিয়ায় যদি একটা ভালো পার্ক থাকত, তাহলে আমাদের বাচ্চারা অন্তত আনন্দটা ঠিকভাবে উপভোগ করতে পারত।”
উখিয়ার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কথা চিন্তা করে একটি শিশু বিনোদন কেন্দ্র এখন আর বিলাসিতা নয়, বরং প্রয়োজনীয় অবকাঠামো। উৎসবের আনন্দকে পূর্ণতা দিতে এবং শিশুদের সুস্থ বিকাশ নিশ্চিত করতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।
আলোকিত উখিয়া

আরো পড়ুন
ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে প্রাণনাশের আশঙ্কা, উখিয়া থানায় সাধারণ ডায়েরি
উখিয়ায় পর্যাপ্ত সার সরবরাহ, চাহিদামতো সংগ্রহের আহ্বান
উখিয়ায় সুপারি ব্যবসায়ীর টাকা ও মোবাইল ছিনতাইয়ের অভিযোগ