আলোকিত রিপোর্টঃ
উখিয়ার রাজাপালং ইউনিয়নের কুতুপালং পূর্বপাড়া ‘স্বর্ণ পাহাড়’ এলাকায় সংরক্ষিত বনভূমি দখল করে বহুতল ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। পাঁচতলা ভবনের ভিত্তির ওপর ইতোমধ্যে তিনতলা পর্যন্ত নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে, এবং মামলা দায়েরের পরও কাজ বন্ধ হয়নি বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
বন বিভাগের পক্ষ থেকে মোহাম্মদ হারুন ও মোহাম্মদ মামুনের বিরুদ্ধে উখিয়া-১৭/২৬ নম্বর মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট রেঞ্জ কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহিনুর ইসলাম শাহিন। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, এই মামলা কার্যত দায়সারা; দখলদারদের বিরুদ্ধে কোনো দৃশ্যমান কঠোর পদক্ষেপ নেই।
এদিকে এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে বৈষম্যের অভিযোগে। তাদের দাবি, গরিব মানুষ সামান্য ঘর তুললেই দ্রুত উচ্ছেদ অভিযান চালায় বনবিভাগ। অথচ প্রভাবশালী মহলের বহুতল ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে রহস্যজনক নীরবতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, অবৈধ দখল ও নির্মাণের পেছনে কিছু অসাধু কর্মকর্তার মদদের অভিযোগ রয়েছে। অর্থের বিনিময়ে এসব কর্মকাণ্ডে ‘সবুজ সংকেত’ দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন তারা।
পরিবেশ ও বন সংরক্ষণে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থার এমন ভূমিকা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে—আইন কি সবার জন্য সমান, নাকি প্রভাবশালীদের জন্য ভিন্ন নিয়ম? এখন দেখার বিষয়, দায়ের করা মামলা বাস্তবেই দখলমুক্তির দিকে এগোয়, নাকি কাগজেই সীমাবদ্ধ থাকে।

আরো পড়ুন
রিফাত আসমা বদলি, ফেনীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হিসেবে পদায়ন
জাল সনদের অভিযোগ বানোয়াট ও ষড়যন্ত্রমূলক: উখিয়ার শিক্ষক মোস্তফা কামালের দাবি
উখিয়ায় প্রবীণ মুরব্বি মাওলানা জাকির হোসেন আর নেই