নজরুলের পরিবার ঋণগ্রস্ত, সৌদির কাছে রায়ের অনুলিপি চেয়েছে বাংলাদেশ
নিজস্ব প্রতিবেদক | দৈনিক আলোকিত উখিয়া
সৌদি আরবের মক্কা অঞ্চলে দুই বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার ঘটনায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। গত ১৪ অক্টোবর ২০২৬ তাঁদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয় বলে সৌদি কর্তৃপক্ষের বরাতে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে। তবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে বাংলাদেশ সরকার বা জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেটকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি বলে বাংলাদেশের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুই বাংলাদেশি হলেন নজরুল ইসলাম আবদুল বাসির এবং সিতি আখতার। তাঁদের বিরুদ্ধে মক্কার একটি মসজিদে কথিত অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ আনা হয়েছিল। সৌদি কর্তৃপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে তাঁদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।
এদিকে নিহত নজরুলের পরিবারের পক্ষ থেকে তাঁর মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার দাবি জানানো হয়েছে। অন্যদিকে, মামলার পূর্ণাঙ্গ বিবরণ ও রায়ের অনুলিপি পেতে সৌদি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করছে বাংলাদেশ সরকার। ঘটনাটি ঘিরে বিচারপ্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা, কনস্যুলার যোগাযোগ এবং প্রবাসীদের আইনি সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
নজরুলের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়, ঋণ করে পাঠানো হয়েছিল সৌদি আরবে
দ্য ডেইলি স্টারের ১৯ অক্টোবর প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, নজরুল ইসলাম আবদুল বাসিরের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সুলতানপুর ইউনিয়নের বিরামপুর গ্রামে। তিনি ২০২২ সালের ১০ নভেম্বর সৌদি আরবে যান। সেখানে পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে কাজ করতেন বলে তাঁর পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন।
নজরুলের বাবা আবদুল বাসির ছেলেকে বিদেশে পাঠানোর জন্য প্রায় সাত লাখ টাকা ঋণ করেছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। পরিবারের প্রত্যাশা ছিল, বিদেশে কাজ করে ছেলে সংসারের আর্থিক সংকট দূর করতে সহায়তা করবেন। কিন্তু তাঁর মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবরে পরিবার এখন শোকের পাশাপাশি আর্থিক অনিশ্চয়তার মুখেও পড়েছে।
পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, নজরুল সৌদি আরবে আটক হওয়ার পর দীর্ঘ সময় কারাগারে ছিলেন। তাঁর মা রহিমা বেগম জানিয়েছেন, কারাগারে থাকা অবস্থায় ছেলে প্রতি রোববার পরিবারের সঙ্গে ফোনে কথা বলতেন। কিন্তু মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে পরিবারকে জানানো হয়নি বলে তাঁদের অভিযোগ।
নজরুলের বাবা ছেলের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন। পরিবারের কাছে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর কীভাবে পৌঁছেছে এবং তাঁদের আগে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছিল কি না, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক মো. আবু সাঈদ জানিয়েছেন, এ বিষয়ে প্রশাসন তখনো কোনো নির্দেশনা পায়নি এবং পরিবারও আবেদন করেনি। মরদেহ দেশে আনার উদ্যোগ নেওয়া হলে নিয়ম অনুযায়ী সহযোগিতা করা হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।
কী অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড?
সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি অনুযায়ী, দুই বাংলাদেশিকে মক্কার একটি মসজিদে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে তাঁদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের বক্তব্য অনুযায়ী, প্রাথমিক তথ্যে মসজিদের ভেতরে ব্যভিচারের অভিযোগের কথা এসেছে। তবে মামলার পূর্ণাঙ্গ নথি ও রায়ের অনুলিপি হাতে না পাওয়ায় অভিযোগের বিস্তারিত বিবরণ, আদালতে উপস্থাপিত প্রমাণ এবং বিচারপ্রক্রিয়ার সব তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
অভিযুক্তদের আইনজীবী নিয়োগ করা হয়েছিল কি না, তাঁরা আত্মপক্ষ সমর্থনের পর্যাপ্ত সুযোগ পেয়েছিলেন কি না এবং রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেছিলেন কি না, এসব বিষয়েও বিস্তারিত তথ্য এখনো প্রকাশ্যে আসেনি।
তাই অভিযোগের প্রকৃতি সম্পর্কে সৌদি কর্তৃপক্ষের বক্তব্য তুলে ধরলেও আদালতের নথি ছাড়া অভিযোগের প্রতিটি বিবরণকে স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্য হিসেবে উপস্থাপন করা যাচ্ছে না।
বন্দির তালিকায় নাম ছিল, মৃত্যুদণ্ডের তথ্য কেন জানল না বাংলাদেশ?
ঘটনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলোর একটি হলো, মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে বাংলাদেশ সরকার বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানতে পেরেছিল কি না।
দ্য ডেইলি স্টারের অনুসন্ধানী প্রতিবেদন অনুযায়ী, সৌদি কর্তৃপক্ষ এর আগে বাংলাদেশ মিশনকে প্রায় ২ হাজার ৫০০ বন্দির একটি তালিকা দিয়েছিল। সেই তালিকায় এই দুই বাংলাদেশির নামও ছিল বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বরাতে জানানো হয়েছে। তবে তাঁদের মৃত্যুদণ্ডের রায় বা তা কার্যকরের তথ্য তালিকায় ছিল না বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ কনস্যুলেটের পক্ষ থেকে সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছে বন্দিদের বিষয়ে তথ্য চাওয়া হয়েছিল বলেও প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। তবে তালিকায় নাম থাকার পরও দুই ব্যক্তির মামলার চূড়ান্ত পরিণতি সম্পর্কে বাংলাদেশ মিশন আগে জানতে পারেনি কেন, সেই প্রশ্নের উত্তর এখনো স্পষ্ট নয়।
কনস্যুলেটের কর্মকর্তাদের বরাতে প্রকাশিত তথ্যে আরও বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট দুই ব্যক্তি সরাসরি কনস্যুলার সহায়তার আবেদন করেছিলেন কি না, সে বিষয়েও অনিশ্চয়তা রয়েছে।
এখানে একটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ। বন্দির তালিকায় নাম থাকা এবং মৃত্যুদণ্ডের চূড়ান্ত রায় সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত হওয়া এক বিষয় নয়। তাই তথ্য আদান-প্রদানের ঘাটতি কোথায় ছিল, তা নির্ধারণ করতে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট নথি ও যোগাযোগের বিবরণ প্রয়োজন।
সৌদি রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠক, রায়ের অনুলিপি চেয়েছে ঢাকা
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর বাংলাদেশ সরকার সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছে বিস্তারিত তথ্য চেয়েছে। জেদ্দায় বাংলাদেশের কনস্যুলেট সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা চেয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।
১৮ অক্টোবর বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দ্বিপক্ষীয় বিষয়ক সচিব সৌদি রাষ্ট্রদূত আবদুল্লাহ জাফর এইচ বিন আবিয়াহর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। ওই বৈঠকে আগের কূটনৈতিক চিঠির অনুলিপি দেওয়া হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম জানিয়েছেন, মামলার বিস্তারিত জানতে সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে রায়ের অনুলিপি পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে বাংলাদেশ। পূর্ণাঙ্গ নথি পাওয়া গেলে মৃত্যুদণ্ডের কারণ, বিচারিক প্রক্রিয়া এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয় সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া সম্ভব হবে।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরও তথ্য আদান-প্রদান ও কূটনৈতিক যোগাযোগে কোনো ঘাটতি ছিল কি না, সে বিষয়ে সৌদি আরবের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়ার কথা জানিয়েছেন বলে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।
তবে সৌদি কর্তৃপক্ষের পূর্ণাঙ্গ জবাব এবং সংশ্লিষ্ট নথি হাতে না পাওয়া পর্যন্ত কূটনৈতিক যোগাযোগে ঠিক কোথায় ঘাটতি ছিল, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যাচ্ছে না।
নিহত দুজন কি স্বামী-স্ত্রী ছিলেন?
কিছু সংবাদমাধ্যমের শিরোনামে ঘটনাটিকে ‘বাংলাদেশি দম্পতির মৃত্যুদণ্ড’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে নজরুল ইসলাম আবদুল বাসির ও সিতি আখতার পরস্পরের স্বামী-স্ত্রী ছিলেন কি না, সে বিষয়ে নির্ভরযোগ্য ও স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্য পাওয়া যায়নি।
তাঁদের পারিবারিক পরিচয়, বাংলাদেশের স্থায়ী ঠিকানা এবং স্বজনদের বক্তব্য সম্পর্কে আরও তথ্য প্রয়োজন। বিশেষ করে সিতি আখতারের পরিবার কোথায়, তাঁর পরিবারের সদস্যরা মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর কীভাবে পেয়েছেন এবং মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে কোনো আবেদন করেছেন কি না, তা এখনো পরিষ্কার নয়।
এ কারণে বৈবাহিক সম্পর্ক নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের ‘দুই বাংলাদেশি নাগরিক’ হিসেবে উল্লেখ করাই তথ্যনির্ভর সাংবাদিকতার জন্য যথাযথ।
মরদেহ দেশে ফেরানোর উদ্যোগ কত দূর?
নজরুলের বাবা ছেলের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। তবে ১৯ অক্টোবর পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চূড়ান্ত হয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য পাওয়ার পর এ বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ বিবেচনা করা হতে পারে। পরিবারের আবেদন, সৌদি কর্তৃপক্ষের নিয়ম এবং দুই দেশের আনুষ্ঠানিক যোগাযোগের ভিত্তিতে এ প্রক্রিয়া এগোতে পারে।
মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক সহায়তা নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ।
প্রবাসীদের আইনি সুরক্ষা নিয়ে নতুন প্রশ্ন
সৌদি আরবে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি কর্মরত ও বসবাস করছেন। তাঁদের কেউ গুরুতর অপরাধের অভিযোগে আটক হলে যথাসময়ে কনস্যুলার সহায়তা, আইনি প্রক্রিয়া সম্পর্কে তথ্য এবং পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এই ঘটনার পর কয়েকটি প্রশ্ন সামনে এসেছে। বন্দির তালিকায় নাম থাকার পরও মৃত্যুদণ্ডের চূড়ান্ত তথ্য বাংলাদেশ মিশনের কাছে আগে পৌঁছায়নি কেন? গুরুতর অপরাধে অভিযুক্ত বাংলাদেশিদের মামলা পর্যবেক্ষণের জন্য বিদ্যমান ব্যবস্থা কতটা কার্যকর? মৃত্যুদণ্ডের মতো চূড়ান্ত শাস্তির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ মিশন কীভাবে আগেভাগে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ ও পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ নিশ্চিত করতে পারে?
এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে শুধু কূটনৈতিক ব্যাখ্যা চাওয়াই যথেষ্ট নয়। বিদেশে আটক বাংলাদেশিদের তথ্য সংরক্ষণ, নিয়মিত হালনাগাদ, আইনি সহায়তার প্রয়োজন শনাক্ত করা এবং পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের ব্যবস্থাও পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।
তবে পূর্ণাঙ্গ নথি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য ছাড়া বাংলাদেশ মিশনের অবহেলা হয়েছে, এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোও সমীচীন হবে না।
শেষ কথা
সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনা এখন তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মনোযোগ দাবি করছে: মামলার প্রকৃত ঘটনা ও বিচারপ্রক্রিয়া সম্পর্কে স্বচ্ছ তথ্য, মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে বাংলাদেশ মিশনের সঙ্গে যোগাযোগের বিষয়টি পরিষ্কার করা এবং নিহতদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানো।
নজরুলের বাবা ছেলের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন। অন্যদিকে, বাংলাদেশ সরকার সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছে রায়ের অনুলিপি ও আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা চেয়েছে। এখন প্রয়োজন দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য তথ্য প্রকাশ, যাতে পরিবার জানতে পারে কী ঘটেছিল এবং জনসাধারণও ঘটনার প্রকৃত চিত্র বুঝতে পারে।
প্রবাসে বাংলাদেশের নাগরিকদের অধিকার ও নিরাপত্তা রক্ষায় কূটনৈতিক ব্যবস্থার কার্যকারিতা কতটা, এই ঘটনা সেই প্রশ্নকে নতুন করে সামনে এনেছে।
তথ্যসূত্র: দ্য ডেইলি স্টার, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস), প্রথম আলো ও ইউএনবি-তে প্রকাশিত প্রতিবেদন।
আরো পড়ুন
কক্সবাজারে RAISE প্রকল্পের মাধ্যমে ১৩ জন প্রবাসী ফেরত সেবাগ্রহীতার নতুন কর্মসংস্থান
ভূমধ্যসাগর থেকে উদ্ধার ২৯ বাংলাদেশি, ২৪ জনই সিলেটের
সৌদির আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম বাংলাদেশের হাফেজ নুরুদ্দিন জাকারিয়া