Daily Alokito Ukhiya

Online Edition of The Daily Alokito Ukhiya

শামলাপুর মেরিন ড্রাইভে উপকূলীয় কলেজ স্থাপনের দাবি

যৌক্তিকতা তুলে ধরলেন মানবাধিকার কর্মী শহিদ উল্লাহ
নিজস্ব প্রতিনিধি:
কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার শামলাপুর মেরিন ড্রাইভ এলাকায় প্রস্তাবিত উপকূলীয় কলেজ স্থাপনের দাবি উঠেছে স্থানীয়দের পক্ষ থেকে। ভৌগোলিক অবস্থান, যোগাযোগ সুবিধা এবং বিদ্যমান অবকাঠামোর দিক বিবেচনায় এ স্থানটিকে সবচেয়ে উপযোগী হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।
মানবাধিকার কর্মী ও সমাজসেবক শহিদ উল্লাহ এ প্রস্তাবটি সামনে এনে বলেন, শামলাপুর জালিয়াপালং ও বাহারছড়া ইউনিয়নের মধ্যবর্তী একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থল। উখিয়া-টেকনাফ উপকূলীয় অঞ্চলের অন্যতম বাণিজ্যিক কেন্দ্র হওয়ায় এখানে প্রতিদিন বিপুল মানুষের যাতায়াত ঘটে, যা একটি কলেজ প্রতিষ্ঠার জন্য ইতিবাচক দিক।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শামলাপুর এলাকায় ইতোমধ্যে একাধিক উচ্চবিদ্যালয় ও মাদ্রাসা রয়েছে। ফলে ভবিষ্যৎ কলেজের জন্য পর্যাপ্ত শিক্ষার্থী পাওয়া যাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতিও তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল উল্লেখ করে বলা হয়, এলাকায় একটি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র রয়েছে, যা নিরাপদ শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে। এছাড়া হোয়াইক্যং ইউনিয়নসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকার সঙ্গে সহজ যোগাযোগ ব্যবস্থাও কলেজ স্থাপনের পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এদিকে শামলাপুর মেরিন ড্রাইভ এলাকায় শরনার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের অধীনে একটি বড় সিআইসি অফিস (বর্তমানে ট্রেনিং সেন্টার) এবং সংলগ্ন অবকাঠামো রয়েছে। স্থানীয়দের মতে, সরকারি উদ্যোগে এ অবকাঠামোকে সহজেই একটি কলেজ ক্যাম্পাসে রূপান্তর করা সম্ভব।
স্থানীয়দের দাবি, এলাকায় মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থাকলেও কলেজ না থাকায় শিক্ষার্থীদের দূরে গিয়ে পড়াশোনা করতে হয়। এতে করে অনেক শিক্ষার্থী ঝরে পড়ছে। শামলাপুরে কলেজ প্রতিষ্ঠা হলে জালিয়াপালং, বাহারছড়া ও হোয়াইক্যংসহ আশপাশের ইউনিয়নের শিক্ষার্থীরা সরাসরি উপকৃত হবে।
এ বিষয়ে কক্সবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য শাহ জাহান চৌধুরীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা। পাশাপাশি সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে শামলাপুর সিআইসি ক্যাম্পাসসহ প্রস্তাবিত স্থানগুলো পরিদর্শনের আহ্বান জানানো হয়েছে।

error

Enjoy this blog? Please spread the word :)