রোববার (৮ মার্চ) ভোররাতে কক্সবাজার সদর উপজেলার পিএমখালী এলাকা থেকে তাদের আটক করে বলে জানিয়েছেন সদর মডেল থানার ওসি মো. ছমিউদ্দিন। এই হত্যাকাণ্ডের ১৪ ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্তদের আটক করা হলো।
নিহত গণেশ পালের পরিবারের অভিযোগ, বাড়ির একটি সেপটিক ট্যাংক করার চেষ্টা করলে এক লাখ চাঁদা দাবি করে জিসান ও বাদশা। চাঁদা না পেয়ে গণেশ পালকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে তারা দুজন।
কক্সবাজার সদর থানার ওসি ছমিউদ্দিন বলেন, গণেশ হত্যাকাণ্ডের পর থেকে পুলিশ অভিযান অব্যাহত রাখে। পরে জিসানের কথিত প্রেমিকা ও পরে তার ভগ্নিপতিকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তাদের তথ্যের ভিত্তিতে পিএমখালী এলাকা থেকে জিসান ও বাদশাকে আটক করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আহমেদ পেয়ার বলেন, প্রায় কয়েক ঘণ্টা অভিযানের পর তাদেরকে আটক করা হয়। তাদেরকে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় আনার পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
কক্সবাজার সদর থানার ওসি ছমিউদ্দিন বলেন, গণেশ হত্যার ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। তার স্ত্রী নেপালী দে বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেছেন। অভিযুক্ত জিসান ওরফে জিদান ও বাদশাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তার গডফাদার শনাক্ত এবং অপরাধ সাম্রাজ্য ধ্বংস করতে জিদান ও বাদশার রিমান্ড চাওয়া হবে।
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের কক্সবাজার সদর উপজেলা শাখার সভাপতি অ্যাডভোকেট বাপ্পী শর্মা বলেন, গণেশের মর্মান্তিক হত্যা আমাদের হতবাক করেছে। তবে, পুলিশের তৎপরতায় দ্রুত সময়ে হত্যাকারী গ্রেপ্তার হওয়ায় আমরা আশান্বিত দ্রুত সঠিক বিচার পাবো। অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান না দেখালে ভবিষ্যতে আরও ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে।

আরো পড়ুন
কক্সবাজারে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু করতে আরও কয়েক মাস লাগবে
পেকুয়ায় স্কুলছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগে কিশোর আটক
ট্রাংকে নারীর হাত-পা বাঁধা লাশ, নীল রঙের পিকআপের সূত্রে রহস্য ভেদ