আলোকিত ডেস্ক রিপোর্ট:
রাঙামাটির লংগদু উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে বেওয়ারিশ কুকুর শিকার করে ভারতের মিজোরামে পাচারের অভিযোগ উঠেছে। আকারভেদে প্রতিটি কুকুর ১০ থেকে ১২ হাজার টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। বিষয়টি সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
জানা যায়, লংগদু উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে বিশেষভাবে তৈরি বাঁশের ফাঁদ ব্যবহার করে কুকুর ধরা হচ্ছে। পরে নৌকাযোগে কাপ্তাই হ্রদ পাড়ি দিয়ে সেগুলো বরকল উপজেলায় নেওয়া হয়। সেখান থেকে সীমান্তবর্তী এলাকা হয়ে ভারতের মিজোরামে পাচার করা হচ্ছে বলে স্থানীয় সূত্রের দাবি।
মিজোরামের জনপ্রিয় বসন্ত উৎসব ‘চাপচার কুট’ সাধারণত মার্চ মাসে অনুষ্ঠিত হয়। কৃষিভিত্তিক এ উৎসবকে কেন্দ্র করে কিছু এলাকায় কুকুরের মাংসের চাহিদা বাড়ে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান। অভিযোগ রয়েছে, আসন্ন উৎসবকে সামনে রেখে সম্প্রতি কুকুর শিকার ও পাচারের তৎপরতা বেড়েছে।
রাঙামাটি জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের ভেটেরিনারি সার্জন ডা. দেবরাজ চাকমা সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, বসন্ত উৎসবকে কেন্দ্র করে মিজোরামের কিছু এলাকায় কুকুরের মাংস খাওয়ার প্রচলন রয়েছে। উৎসবকে সামনে রেখে কুকুর শিকার করা হতে পারে।
রাঙামাটি জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মঈনুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, প্রাণী কল্যাণ আইন ২০১৯-এর ৭ ধারা অনুযায়ী মালিকবিহীন কুকুর হত্যা বা অপসারণ আইনত দণ্ডনীয়। তিনি জানান, কুকুর জলাতঙ্কসহ বিভিন্ন রোগ বহন করতে পারে। বেওয়ারিশ কুকুরের মাংস খাওয়া জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।

আরো পড়ুন
উখিয়ায় মুক্ত স্কাউট গ্রুপের ডে ক্যাম্প ও দীক্ষা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত
উখিয়ায় সারের দামে নৈরাজ্যের অভিযোগ
সকালে বেরিয়েছিল রুটিরুজির খোঁজে, ফিরে এসে পেল মা ও তিন বোনের নিথর দেহ