রোববার (৮ মার্চ) দুপুরে তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। এর আগে শনিবার (৭ মার্চ) রাতে নগরীর গির্জা মহল্লার একটি আবাসিক হোটেল থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয় বলে ভাষ্য পুলিশের।
গ্রেপ্তাররা হলেন, মিলিতা দত্ত ওরফে ম্যালাইসা ও সান্টু হাওলাদার। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী সিরাজুল ইসলাম বাদী হয়ে কোতোয়ালি মডেল থানায় ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। ওই মামলায় হোটেলের মালিক ও ব্যবস্থাপকসহ আটজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল সদর উপজেলার রায়পাশা কড়াপুর এলাকার বাসিন্দা সিরাজুল ইসলামের সঙ্গে আব্দুর রহমান নামের এক ব্যক্তির পূর্ব পরিচয় ছিল। শনিবার বিকেলে জরুরি কাজের কথা বলে সিরাজুলকে গির্জা মহল্লা এলাকায় ডাকেন রহমান। রাত ৯টার দিকে তিনি সেখানে গেলে তাকে ওই হোটেলের চতুর্থ তলার একটি কক্ষে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে আগে থেকেই ওঁত পেতেছিল চক্রের ১০ জন সদস্য।
সিরাজুল ইসলাম অভিযোগ করেন, ওই হোটেলের রুমে প্রবেশের পর মিলিতা নামের ওই তরুণী তাকে কথা বলতে বলতে দরজা আটকে দেন। এর পরপরই চক্রের অন্য সদস্যরা তাকে জিম্মি করে ঐ তরুণীর সঙ্গে আপত্তিকর ভিডিও ধারণ করেন। সেই ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে, তার কাছ থেকে নগদ টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয় এবং আরও ১৩ হাজার টাকা দাবি করা হয়। একপর্যায়ে কৌশলে বিষয়টি পরিচিত এক ব্যক্তিকে জানান সিরাজুল। তার মাধ্যমে খবর পেয়ে রাতে মহানগরীর কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ ওই হোটেলে অভিযান চালিয়ে মিলিতা ও সান্টুকে গ্রেপ্তার করে। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে হোটেলের মালিক, ব্যবস্থাপকসহ চক্রের অন্য সদস্যরা পালিয়ে যান।
কোতোয়ালী মডেল থানার পরিদর্শক সনজিৎ চন্দ্র নাথ বলেন, ভুক্তভোগী যুবকের মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে ওই দুজনকে রোববার দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে। হোটেলের মালিকসহ পলাতক বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

আরো পড়ুন
মডেল মসজিদে বৈশাখ উদযাপন: এম এ হালিম বোখারীর গভীর উদ্বেগ
৬ বছরের মাইরা এখন কারাগারের বাসিন্দা: কিন্তু কেন?
ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সালের অস্ত্র মামলায় ১০ বছরের কারাদণ্ড