Daily Alokito Ukhiya

Online Edition of The Daily Alokito Ukhiya

উখিয়া ডায়মন্ড মার্শাল আর্ট ট্রেনিং সেন্টারের ইফতার আয়োজন

উখিয়ায় মার্শাল আর্ট চর্চা: আত্মরক্ষা ও শৃঙ্খলার নতুন দিগন্ত

আলোকিত রিপোর্ট:

উখিয়ায় তরুণ প্রজন্মকে শারীরিক ও মানসিকভাবে শক্তিশালী করে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে “উখিয়া ডায়মন্ড মার্শাল আর্ট ট্রেনিং সেন্টার”। উখিয়া ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে পরিচালিত এই প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটি ইতোমধ্যে শিশু-কিশোরদের আত্মরক্ষা, শৃঙ্খলা এবং আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলার একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে পরিচিতি পাচ্ছে।

সম্প্রতি এই প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের উদ্যোগে আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। সেখানে প্রশিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মিলনমেলায় মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষণের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা হয়।

প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটির প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বাংলাদেশ উশু ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক গ্র্যান্ডমাস্টার মাস্টার (শিফু) দিলদার হাসান দিলু। তাঁর তত্ত্বাবধানে কেন্দ্রটির প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। আর দৈনন্দিন প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন প্রধান প্রশিক্ষক এমরানুল হক

খিয়া ডায়মন্ড মার্শাল আর্ট ট্রেনিং সেন্টার
খিয়া ডায়মন্ড মার্শাল আর্ট ট্রেনিং সেন্টারের ইফতার আয়োজন

প্রশিক্ষকদের মতে, মার্শাল আর্ট শুধু আত্মরক্ষার কৌশল শেখায় না; এটি একজন মানুষের মধ্যে শৃঙ্খলা, ধৈর্য, আত্মবিশ্বাস এবং নেতৃত্বের গুণও তৈরি করে। নিয়মিত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শিশু-কিশোররা শারীরিকভাবে সুস্থ থাকার পাশাপাশি মানসিক দৃঢ়তাও অর্জন করে।

বর্তমান সময়ে সমাজে নানা ধরনের ঝুঁকি ও অনিশ্চয়তার মধ্যে আত্মরক্ষার কৌশল জানা একটি গুরুত্বপূর্ণ দক্ষতা হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে স্কুল-কলেজপড়ুয়া শিক্ষার্থীদের জন্য মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষণ অনেক ক্ষেত্রে আত্মবিশ্বাস বাড়াতে সহায়ক ভূমিকা রাখে।

উখিয়া ডায়মন্ড মার্শাল আর্ট ট্রেনিং সেন্টারের প্রশিক্ষকরা জানান, এখানে নিয়মিত প্রশিক্ষণের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নৈতিক শিক্ষা, শৃঙ্খলা এবং সুস্থ জীবনধারার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়। ফলে অনেক অভিভাবক তাদের সন্তানদের এই প্রশিক্ষণে যুক্ত করতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন।

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, এ ধরনের উদ্যোগ তরুণ প্রজন্মকে মাদক, অপরাধ ও নেতিবাচক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখতে সহায়ক হতে পারে। পাশাপাশি আত্মরক্ষা শেখার মাধ্যমে শিশু-কিশোররা আরও আত্মবিশ্বাসী ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।

তাই সমাজের সচেতন অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে, সন্তানদের সুস্থ শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য তাদের মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষণে উৎসাহিত করতে। কারণ আজকের প্রশিক্ষিত ও আত্মবিশ্বাসী তরুণরাই আগামী দিনের নিরাপদ ও শক্তিশালী সমাজ গড়ে তুলবে।

error

Enjoy this blog? Please spread the word :)