আলোকিত রিপোর্ট:
ট্যাক্স ফাঁকি দিয়ে সীমান্তপথে আসার অভিযোগ
কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার কুতুপালং বাজারে প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে বার্মিজ ভাষায় লেখা প্যাকেটজাত নুডুলস। স্থানীয় বাজারে এসব নুডুলসের উপস্থিতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে—কিভাবে বিদেশি পণ্যগুলো কোনো আনুষ্ঠানিক আমদানি প্রক্রিয়া ছাড়াই বাজারে আসছে?
সরেজমিনে দেখা যায়, হলুদ রঙের প্যাকেটে মোড়ানো নুডুলসগুলোর গায়ে সম্পূর্ণ বার্মিজ ভাষায় লেখা। প্যাকেটে মিয়ানমারের উৎপাদিত পণ্য বলে ধারণা পাওয়া যায়। তবে এসব পণ্যে বাংলাদেশে অনুমোদিত আমদানিকারকের নাম, ডিস্ট্রিবিউটরের তথ্য বা বৈধ আমদানির কোনো চিহ্ন দেখা যায়নি।
বাজার সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় মাঝে মাঝে মিয়ানমার থেকে বিভিন্ন পণ্য অনানুষ্ঠানিকভাবে ঢুকে পড়ে এবং কিছু ব্যবসায়ী সেগুলো বাজারে বিক্রি করেন। কম দামে পাওয়া যাওয়ায় অনেক ক্রেতাও সেগুলো কিনছেন।
বিশ্লেষকরা বলছেন, যদি এসব পণ্য আনুষ্ঠানিক কাস্টমস প্রক্রিয়া ছাড়াই দেশে ঢুকে থাকে, তাহলে তা সরকারি রাজস্ব ফাঁকির শামিল। এতে একদিকে সরকার বিপুল পরিমাণ ট্যাক্স থেকে বঞ্চিত হয়, অন্যদিকে বাজারে বৈধভাবে আমদানি করা পণ্যের সঙ্গে অসুস্থ প্রতিযোগিতা তৈরি হয়।
স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, সীমান্তবর্তী বাজারগুলোতে নিয়মিত নজরদারি বাড়ানো প্রয়োজন। একই সঙ্গে কাস্টমস ও প্রশাসনের সমন্বিত তদারকি না থাকলে এ ধরনের পণ্য অবাধে বাজারে ঢুকতে থাকবে।
তাদের মতে, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা জরুরি—এসব নুডুলস কীভাবে সীমান্ত অতিক্রম করে বাজারে পৌঁছাচ্ছে এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন তারা।
আলোকিত উখিয়া

আরো পড়ুন
উখিয়া দারোগা বাজারে ময়লার স্তুপ: ইজারাদারের দায়িত্বহীনতায় জনদুর্ভোগ চরমে
উখিয়ায় সংরক্ষিত বনভূমি দখল করে বহুতল ভবন নির্মাণের অভিযোগ
৬ বছরের মাইরা এখন কারাগারের বাসিন্দা: কিন্তু কেন?