নিজস্ব প্রতিবেদক
কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার বালুখালী এলাকায় প্রায় ৫০ হাজার পিস ইয়াবা ছিনতাইয়ের ঘটনায় পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতালের পাশ থেকে সংঘটিত এই ঘটনায় বাবুলের পাশাপাশি নুরুল আজাদ আসিফ ও তার ভাই ইমনের বিরুদ্ধে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ এপ্রিল দুপুরে বাবুলের বাড়ির সামনে দিয়ে একটি ইয়াবার চালান নিয়ে যাওয়ার সময় সেটি ছিনতাই করা হয়। ঘটনার পরপরই অভিযুক্ত বাবুল স্ত্রী-সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি মহেশখালীতে পালিয়ে যায়। বর্তমানে তার বসতবাড়ি তালাবদ্ধ অবস্থায় রয়েছে।
এলাকাবাসীর দাবি, বাবুল দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা ব্যবসায়ী চক্রের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত। শুধু ছিনতাই নয়, ইয়াবা ও অস্ত্র পাচারের সঙ্গেও তার সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা।
ঘটনার বিষয়ে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে বাবুল আংশিকভাবে জড়িত থাকার ইঙ্গিত দিয়ে ২০ হাজার পিস ইয়াবা নেওয়ার কথা স্বীকার করেন। অন্যদিকে, জলুর মেয়ের জামাই থাইংখালী এলাকার টুকাই রাসেলের বিরুদ্ধে ছিনতাইকৃত ইয়াবা ভাগ-বাটোয়ারার অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় সূত্র আরও জানায়, কুখ্যাত মাদক কারবারি ছৈয়দ নুরের ছেলে নুরুল আজাদ আসিফ এবং তার আপন ভাই ইমনও এই ঘটনায় জড়িত থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, গত ১১ ফেব্রুয়ারি যৌথবাহিনীর এক অভিযানে ডাকাত জলুর আরেক ছেলে আমিনকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ আটক করা হয়। বর্তমানে তারা জেল হাজতে রয়েছে। এছাড়া জলুর বিরুদ্ধে বন বিভাগের জমি দখল করে একাধিক স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ রয়েছে।
এদিকে, নুরুল আজাদ আশিকের বিরুদ্ধেও হত্যা, মাদক, সরকারি কাজে বাধা প্রদান, মারামারি ও চুরিসহ একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। এসব ঘটনায় দীর্ঘদিন ধরেই এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে।
ঘটনার পর স্থানীয় জনসাধারণ তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে দ্রুত জড়িতদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। বর্তমানে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
আলোকিত উখিয়া

আরো পড়ুন
শাপলাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে দুই শিক্ষক বহিষ্কার, কোচিং বন্ধের নির্দেশ
গয়ালমারা দাখিল মাদ্রাসায় পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও দোয়া অনুষ্ঠিত
৩ বছরেও শেষ হয়নি রাস্তার কাজ, ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ