আলোকিত রিপোর্ট:
কক্সবাজারের ঈদগাঁও এলাকায় সরকারি ভিজিএফ চাল বিতরণকে কেন্দ্র করে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, প্রায় তিন বছর আগে উৎপাদিত চাল দরিদ্র জনগণের মাঝে বিতরণ করা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে তাহসিন মেহেরাব শাওন অভিযোগ করেন, ঈদগাঁও উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ভিজিএফ চাল বিতরণের সময় বস্তা খুলে দেখা গেছে অনেক চালের মান খারাপ এবং কিছু চাল নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে। তিনি দাবি করেন, বিতরণ করা চালের বস্তায় উৎপাদনের সময় হিসেবে মে ২০২৩ লেখা রয়েছে, যা প্রায় তিন বছর আগের।
প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, দীর্ঘদিন গুদামে পড়ে থাকার কারণে চালের গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। অনেকেই অভিযোগ করেছেন, দরিদ্র মানুষের জন্য বরাদ্দ খাদ্য সহায়তা যদি নিম্নমানের বা পুরোনো হয়, তাহলে তা সরকারের সহায়তা কর্মসূচির উদ্দেশ্যকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।
এদিকে বিতরণকৃত চালের বস্তায় এখনো “শেখ হাসিনার বাংলাদেশ, ক্ষুধা হবে নিরুদ্দেশ” স্লোগান লেখা রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ফলে এক সরকারের আমলে সংগ্রহ করা চাল অন্য সরকারের সময়ে বিতরণ হলেও এর মান বা সংরক্ষণ পরিস্থিতি যথাযথভাবে যাচাই করা হয়েছে কি না—এ নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয়রা।
এ বিষয়ে সচেতন মহল জানতে চেয়েছেন, বস্তার গায়ে উৎপাদনের সময় উল্লেখ থাকা সত্ত্বেও ঈদগাঁও উপজেলা প্রশাসন ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কার্যালয় কীভাবে এসব চাল ইউনিয়ন পরিষদে বিতরণের জন্য পাঠালো।
স্থানীয়রা মনে করেন, ভিজিএফ বা ত্রাণ কোনো দয়া নয়; এটি দরিদ্র মানুষের অধিকার। তাই এই ঘটনায় দ্রুত সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত অবস্থা উদঘাটন এবং দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনা প্রয়োজন।
তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের বিষয়ে জানতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা চলছে।
আলোকিত উখিয়া

আরো পড়ুন
কক্সবাজারে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু করতে আরও কয়েক মাস লাগবে
উখিয়ায় সংরক্ষিত বনভূমি দখল করে বহুতল ভবন নির্মাণের অভিযোগ
আইন পেশায় নতুন পথচলা: এড. রুবেলের গাউন পরিধান